Trending News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Trending News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫

সাকসেসফুল

সাকসেসফুল

  প্রথমে আপনাদেরকে আমি জানিয়ে দিই


আমি সম্পূর্ণভাবে কথা বলব ইউটিউব ইউটিউব নিয়ে আজকে আমি এমন কিছু আপনাদেরকে দেখাতে যাচ্ছি এই বিষয়গুলো নিয়ে কোন ভিডিও আপলোড করা হয় না কেননা পৃথিবীতে মানুষ একটুও হলো স্বার্থ চেনে আমি যা জানি আমিতো আপনাকে সব বলিয়ে দিন না হলে আজকে আমার কেরিয়ার টা কোথায় যাবে যেমন সব ইউটিউবার রাই আসলে ভালো ভালো নলেজ আছে কিছুই তো গান সত্য ও বাস্তব কন্টেন নিয়ে কাজ করে আর কিছু ইউটিউবার যেকোনো সাবজেক্ট ও ভুয়া কন্টাক্ট নিয়ে কাজ করা হয় আমরা ওদের তালে বুড়ি দুনিয়ার আজেবাজে কথা নানান ধরনের অশ্লীল কথাবাত্রা আজকে আমার কি নেট থেকে আমি একটা কথা বলি

ai


যেমন ধরুন আমি কোন বিষয় নিয়ে জানতাম না তখন থেকে আমি একটি এন্ড্রয়েড সেট কিনেছি তখন থেকে আমি নানান ধরনের ভিডিও দেখে নানান ধরনের কিছু আমি শিখেছি শিখতে শিখতে এমন একটি সময় আসলো মনে হল আমি কেন ওদের ভিডিও দেখব ওরা আমার ভিডিও দেখবে তার জন্য কি করা লাগবে তখন সে আবার খুঁজতে লাগলো ইউটিউব চ্যানেল কেমনে খুলবে কি করলে সবাই তাকে চিনবে আরো নানান ধরনের বিষয় নিয়ে সে এটি ভিডিও দেখতে লাগলো এমন সময় আসলো সে যা চিন্তা করল তাসে করে বসলো যাবতীয় যা যা লাগে ইউটিউব ভিডিও করার জন্য সে সবকিছু ব্যবস্থা করে ফেলল মনে করুন সেতো একটি গরিবের ছেলে হয় 


সে কেমনে করবে তার মনে তো অনেক ইচ্ছা সবার মত ভিডিও বানাবে সবাই তাকে চিনবে জানবে সে-ও ভিডিও দেখে টাকা আয় করবে সত্যি কি জানেন গরিবের ছেলে স্বপ্নই থেকে যায় পুরনো হয় না আর একটি বড় লোকের ছেলে তার থেকে যায় মনে চায় সেটা করতে পারে আমরা গরিবের ছেলে পারিনা কেন আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় এমন সময় এমন একটি চিন্তা করা আমাদের শোভা পায় না পটি করব চিন্তা করলাম আজ না হলে কাল কাল না হলে কয়েকটা দিন পরে এমন করতে করতে আমাদের দিনটাই কেটে যায় স্বপ্ন চোখের সামনে ছায়া হয়ে ওড়ে এটা আমাদের জীবনে বাস্তবতা জীবনটা আসলে কতটুকু বাস্তব সেটা জানতে হলে আর বুঝতে হলে আপনার কাছে বিভিন্ন ধরনের মানুষ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ তাদের সাথে চলতে হবে আপনি তখনই বুঝতে পারবেন জীবনটা কতটুকু বাস্তব সবার কাছে আপনি কিছু না কিছু শিখতে পারবেন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: ঘরে বসে ইনকামের দারুণ উপায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: ঘরে বসে ইনকামের দারুণ উপায়

  

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: ঘরে বসে ইনকামের দারুণ উপায়

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো এমন একটি অনলাইন আয়ের মাধ্যম যেখানে আপনি অন্য কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রচার করে কমিশন পান।

✅ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কীভাবে কাজ করে?

  • একটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যোগ দিন (যেমন: Amazon, Daraz, ClickBank)।
  • একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বেছে নিন।
  • অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক তৈরি করুন।
  • লিঙ্কটি আপনার ব্লগ, ইউটিউব, ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।
  • কেউ কিনলে আপনি কমিশন পাবেন।

🌟 জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামসমূহ

কোম্পানিকমিশন রেটবিশেষত্ব
Amazon Associates1-10%বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়
Daraz Affiliate5-12%বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত
ClickBank50-75%ডিজিটাল প্রোডাক্ট
Impactভিন্ন ভিন্নবিভিন্ন ব্র্যান্ডের সমন্বয়

📈 কোথায় অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক শেয়ার করবেন?

  • ব্লগ পোস্ট বা ওয়েবসাইটে
  • ইউটিউব ভিডিওতে
  • ফেসবুক/ইনস্টাগ্রাম পোস্টে
  • ইমেইল নিউজলেটারে
  • টেলিগ্রাম/হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে

🎯 সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারের টিপস

  • নিজের নিস (Niche) ঠিক করুন
  • গুণমানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করুন
  • SEO শিখুন এবং Google-এ র‍্যাঙ্ক করুন
  • বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করুন
  • নিয়মিত কাজ করুন
আপনি চাইলে এই বিষয়ে একটি সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলা ইবুক পেতে পারেন:
ইবুক ডাউনলোড করুন
Affiliate Marketing Image

🔍 SEO কিওয়ার্ড ট্যাগস (এক ক্লিকে কপি করুন)

affiliate marketing in bangla, affiliate marketing tutorial 2025, best affiliate programs bangladesh, passive income ideas bd, earn money from home bangla, affiliate marketing with AI, ai tools for affiliate marketing, affiliate link কিভাবে শেয়ার করবেন, clickbank tutorial bangla, daraz affiliate marketing bangla, facebook affiliate marketing bangla, how to earn from blogging bangla, seo optimized blog post bangla, digital marketing bangla tutorial, affiliate marketing strategy 2025

বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১

ব্লগের বিষয়বস্তুটি বুঝুন,

ব্লগের বিষয়বস্তুটি বুঝুন,

  কীভাবে দুর্দান্ত ব্লগ সামগ্রী তৈরি করবেন



আপনার ব্লগের সামগ্রীটি আপনার পাঠকদের উচ্চমূল্যের প্রস্তাব দেয় তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ, কারণ আপনার সামগ্রীটি তারা গ্রহণ করতে চাইলে কেউ আপনার ব্লগ পড়তে বা আপনার অফারগুলি খুঁজে পাবে না।

আপনার শ্রোতা জানা

আপনি যে কোনও বিষয়বস্তু লেখার আগে বা যেকোন ধরণের সামগ্রী তৈরি করার আগে আপনাকে এটি কার জন্য তৈরি করছেন তা সত্যই জানতে হবে। আপনি কে কিছু শেখানোর, সাথে জড়িত থাকার, অবহিত করার, শিক্ষিত করার এবং প্ররোচিত করার চেষ্টা করছেন?

আপনার ব্লগের বিষয়বস্তুটি বুঝুন

আপনি যখন নিজের ব্লগের জন্য সামগ্রী তৈরি করেন, প্রতিটি টুকরোগুলির নিজস্ব উদ্দেশ্য এবং থাকার কারণ থাকতে হবে। আপনি যখন সেই উদ্দেশ্যটি জানেন, আপনি এটিকে আরও ভালভাবে তৈরি করতে পারেন।

কিছু দীর্ঘ-ফর্ম সামগ্রী তৈরি করুন

এমন কিছু সামগ্রী যুক্ত করুন যা দীর্ঘতর এবং আরও গভীরতর। এটি আপনার ব্লগ স্পেসের দুর্দান্ত ব্যবহার। এমনকি আপনি একবারে একটি ছোট ব্লগ পোস্ট তৈরি করতে পারেন, তারপরে একটি দীর্ঘ পোস্ট তৈরি করুন যেখানে আপনি প্রতিটি পোস্টের সাথে লিঙ্ক করে একটি নতুন দীর্ঘ-ফর্ম ব্লগ পোস্ট তৈরি করতে যা আপনার দর্শকদের কাছাকাছি ক্লিক করতে পারে।




সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১

In the way of Allah, the Prophet (peace be upon him,

In the way of Allah, the Prophet (peace be upon him,

 


আল্লাহ

               ১.জান্নাতের চাবি হলো – ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই’ এ সাক্ষ্য দেয়া। (আহমদ)

শব্দার্থ

ইলাহ’ মানে হুকুমকর্তা, আইনদাতা, আশ্রয়দাতা, ত্রাণকর্তা, উপাস্য, প্রার্থনা শ্রবণকারী।

২.আল্লাহ সুন্দর! তিনি সৌন্দর্যকেই পছন্দ করেন। (সহীহ মুসলিম)

৩. শ্রেষ্ঠ কথা চারটি :

 1:( সুবহানাল্লাহ = আল্লাহ পবিত্র ?

২:( আল হামদুলিল্লাহ = সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর ?

৩:( লা–ইলাহা ইল্লাল্লাহ = আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই ?

৪:( আল্লাহু আকবর = আল্লাহ মহান ?

আল্লাহর অধিকার

     দীন

         দীন খুব সহজ

       ব্যাখ্যা :দীন মানে = জীবন যাপন পদ্ধতি।

দীন হলো – কল্যাণ কামনা

দীন মানে দীন ইসলাম।

       নৈতিক চরিত্র

মহত চরিত্রের পূর্ণতা দানের জন্যে আমার আগমন।

শব্দার্থ :‘আখলাকুন’ও‘খুলুকুন’ মানে -নৈতিক চরিত্র,ব্যবহার,আচার আচরণ।

 আল্লাহ

জান্নাতের চাবি হলো – ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই’ এ সাক্ষ্য দেয়া। (আহমদ)

শব্দার্থ : ‘ইলাহ’ মানে হুকুমকর্তা, আইনদাতা, আশ্রয়দাতা, ত্রাণকর্তা, উপাস্য, প্রার্থনা শ্রবণকারী।

আল্লাহ সুন্দর! তিনি সৌন্দর্যকেই পছন্দ করেন। (সহীহ মুসলিম)

শব্দার্থ : সাওম – রোজা।

সাওম এবং কুরআন বান্দার জন্যে সুপারিশ করবে। (বায়হাকী)

যখন রমযান শুরু হয়, তখন রহমতের দুয়ার খুলে দেয়া হয়। (সহীহ বুখারী)

তোমাদের মাঝে বরকতময় রমযান মাস এসেছে। আল্লাহ তোমাদের উপর এ মাসের সিয়াম সাধনা ফরয করে দিয়েছেন। (নাসায়ী)

হজ্জ ও উমরা

                                    হজ্জ ও উমরা পালনকারীরা আল্লার মেহমান। (মিশকাত)

আল্লাহর পথে জিহাদ

আল্লাহর পথে একটি সকাল কিংবা একটি সন্ধ্যা ব্যয় করা গোটা পৃথিবী এবং পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের চেয়ে উত্তম। (সহীহ বুখারী)

যে লড়ে যায় আল্লাহর বাণীকে বিজয়ী করার জন্যে সেই আল্লাহর পথে ( জিহাদ করে )। (সহীহ বুখারী

অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য কথা বলা সবচেয়ে বড় জিহাদ। (তিরমিযী)

শব্দার্থ : সাওম – রোজা।

সাওম এবং কুরআন বান্দার জন্যে সুপারিশ করবে। =বায়হাকী= যখন রমযান শুরু হয়, তখন রহমতের দুয়ার খুলে দেয়া হয়। =সহীহ বুখারী=

তোমাদের মাঝে বরকতময় রমযান মাস এসেছে। আল্লাহ তোমাদের উপর এ মাসের সিয়াম সাধনা ফরয করে দিয়েছেন। -নাসায়ী-

হজ্জ ও উমরা=হজ্জ ও উমরা পালনকারীরা আল্লার মেহমান। -মিশকাত- 

                                      =আল্লাহর পথে জিহাদ-=

আল্লাহর পথে একটি সকাল কিংবা একটি সন্ধ্যা ব্যয় করা গোটা পৃথিবী এবং পৃথিবীর সমস্ত সম্পদের চেয়ে উত্তম।-সহীহ বুখারী- যে লড়ে যায় আল্লাহর বাণীকে বিজয়ী করার জন্যে সেই আল্লাহর পথে ( জিহাদ করে -। =সহীহ বুখারী=

অত্যাচারী শাসকের সামনে সত্য কথা বলা সবচেয়ে বড় জিহাদ। =তিরমিযী=নিয়্যত কাজ নির্ভর করে নিয়্যতের উপর।=সহীহ বুখারী=

 নোট=নিয়্যত মানে -উদ্দেশ্য,সংকল্প,ইচ্ছা,কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া।‘কাজ নির্ভর করে নিয়্যতের উপর’ মানে কাজের পেছনে মানুষের যে উদ্দেশ্য, সংকল্প বা সিদ্ধান্ত থাকে, তার ভিত্তিতেই সে ফল ও পুরস্কার লাভ করবে। প্রত্যেক ব্যক্তি তার কাজের সেই ফলই পাবে,যা সে নিয়্যত করেছে।=সহীহ বুখারী= 

আল্লাহ

তোমাদের চেহারা সুরত ও ধনসম্পদ দেখবেননা,তিনি দেখবেন তোমাদের অন্তর ও কাজ সহীহ..মুসলিম

এখানে অন্তর মানে-উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বা নিয়্যত। এই তিনটি হাদীস থেকে আমরা মানব জীবনে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বা নিয়্যতের গুরুত্ব জানতে পারলাম।সুতরাং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যেই যাবতীয় কাজ করা উচিত। দীন দীন খুব সহজ =সহীহ বুখারী= 

ব্যাখ্যা

দীন মানে =জীবন যাপন পদ্ধতি। এখানো দীন মানে দীন ইসলাম। অর্থাৎ ইসলামের জীবন যাপন পদ্ধতি খুব সহজ। দীন হলো – কল্যাণ কামনা। =সহীহ মুসলিম= 

দীন ইসলামের মূল কথা হলো, নিজের এবং সকল মানুষের দুনিয়াবী ও পরকালীন কল্যাণ চাওয়া। আল্লাহ যার ভালো চান, তাকে দীনের সঠিক জ্ঞান দান করেন। =সহীহ বুখারী=

Why we are not allowed to read the book,বইটি কেন আমাদের পড়তে দেওয়া হয়না,

Why we are not allowed to read the book,বইটি কেন আমাদের পড়তে দেওয়া হয়না,

 মানিক গ্রন্থ যেখানে মানুষ কিছু শব্দ লিপিবদ্ধ করে, এই শব্দের ভিত্তিতেই ঠিক হয় বইয়ের প্রকৃতি প্রকৃতির মধ্যে কিছু বই আমাদের ছোট থেকে বড় হয়ে ওঠার সঙ্গী হয়ে ওঠে, কোনটি আমাদের রোমাঞ্চ করে কোনটি আমাদের উন্নত করে তোলে, আবার কোন বই আমাদের কুসংস্কারের দিকে ঠেলে দেয়, আজ আপনাদের এমন কিছু বইয়ের সম্বন্ধে বলতে চলেছি ,যেগুলোকে আপনারা শৈশব কেন আপনার বয়স 100 হলেও হয়তো আপনি পড়তে পারবেন না, তাই আজ ,দশটি অদ্ভুত বই সম্বন্ধে বলতে চাইছি, যে আপনি পড়তে পারেন কিনা তা আমি জানিনা কিন্তু এই বইগুলোর রহস্য অবশ্যই,আপনাকে আপনি শুনবেন

নাম্বার 1

তারে প্লিজ কল বুক 15 শতাব্দী এক সাধুর নাম অনুযায়ী এই বইয়ের নামকরণ হয়েছিল,
যার নাম ছিল শিল্পী বলা হয়, বিদ্যার বই এই বইতে বলা হয়েছে যে কিভাবে একজন মানুষ সত্যের সন্ধানে
ইউরোপ প্রদর্শন করেছিল, এর পাশাপাশি কিভাবে রূপান্তরিত শেখা যায় তাও লেখা রয়েছে ,এই বইতে রূপান্তর বিদ্যার সাহায্যে নাকি কোন প্রাণীকে নিজের রূপ দেওয়া যায়, এছাড়াও এই বইতে একটি জাদুর কথা বলা হয়েছে, যার সাহায্যে পরশ পাথর তৈরি করা যায়, পরশপাথর হচ্ছে এমন একটি পাথর যাতে কোনো কিছু স্পর্শ করলেই তার সোনায় পরিণত হয়ে, যায় বলা হয় যে এই বইটি তার সম্বন্ধে লেখা হয়েছে সে অমরত্ব সন্ধান পেয়ে গেছে এবং সে আমাদের মধ্যে বসবাস করছে, কিন্তু বিজ্ঞানের কাছে অমরত্বের ব্যাপারে বিশ্বাসযোগ্য হলেও, পরশপাথরের ব্যাপারটা মোটেও বিশ্বাস করার মতো নয়, বইটি রূপকথার মনে হলেও বইটির লেখক অনুযায়ী বইটি সত্য ঘটনার উপর এই লেখা হয়েছে |

নাম্বার 2

সাভার স্ক্রিপ্ট বা তাবুক মানে পড়া সম্ভব নয় বলা হয়, এই বইটিকে বিজ্ঞানীরা এখনো পাঠকদের করতে পারেনি, বাঁকে এই বইটি কে লিখেছেন তা জানা যায়নি এই বইটির নামকরণ হয় নিজের নাম অনুসারে রাখা হয়েছে ,909 থেকে 912 সালের মধ্যে এই বইটি তার হাতে আসে,এই বইটি সম্পূর্ণ মানুষের হাতেই লেখা হয়েছে ,এবং এই পুরো বই জুড়ে আঁকা রয়েছে বিভিন্ন গাছের পাতার ছবি কিন্তু সেইসব গাছের সন্ধান মানুষ কখনো পায়নি, বা বলা ভালো চোখে দেখেনি এছাড়াও এই বইটিতে আরো অদ্ভুত অদ্ভুত ছবি আঁকা রয়েছে, যেমন এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন মহিলা যৌন সঙ্গমে লিপ্ত রয়েছে, ও অনেক অ্যাস্ট্রোনমি ছবি আঁকা রয়েছে আর বলার প্রয়োজন নেই এই বইটি কতটা সময় তাই এই রঙ, সময় ও অদ্ভুত বইটিকে পড়তে অনেক পাঠকই কোটি কোটি টাকা খরচ করছে

নাম্বার 3

এই বইটিতে একইরকমভাবে অনেক অদ্ভুত ছবি রয়েছে, এই বইটি ইটালিয়ান আর্টিস্ট লুকিয়ে আছে লিখেছেন

নাম্বার 4

দ্য বুক অফ, এই বইটি প্রথম মালিক কুইন এলিজাবেথ এর পাশাপাশি তিনি একজন গণিতজ্ঞ বিশেষজ্ঞ
ছিলেন, প্রায় তিন হাজার 390 ছিল, এবং পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কালেকশন এর অন্যতম এই বইগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো 197 পাতার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল যাদুবিদ্যার জন্ডিস মৃত্যুর পর, বইটির রহস্যময় ভাবে উধাও হয়ে যায়,
1994 সালে এই বইটি দুটি সংকলন পৃথিবীর দুটি আলাদা স্থানে পাওয়া যায়, একটি হলো ব্রিটিশ লাইব্রেরি অফ লন্ডন ও, আরেকটি বার্লি লাইবেরি অফ অক্সফোর্ড বলা হয় ,যে ভগবানের দুধ অর্থাৎ এনজেল এই বইটি আদমকে নিজের হাতে দিয়েছিলেন তার নাম বলতে আমরা যাকে পৃথিবীর প্রথম মানুষ হিসেবে, তিনি এই
বইটির সাথে এরকমই ইতিহাস জড়িয়ে থাকার কারণে এই বইটি অনেক সুরক্ষিত ভাবে রাখা হয়, এবং অনেক বড় বড় মাফিয়া, এই বইটির উপর নজর রয়েছে |

নাম্বার 5

এই বইটি কোন একক তবে এই লাইনগুলো ডানদিক থেকে শুরু করে বাম দিকে শেষ হয়েছে,
এই বইয়ের মধ্যে 87 টি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে ,যা যুদ্ধের প্রতীক কোন আবিষ্কার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের প্রতি ইংলিশে যেমন 26 টি অক্ষর রয়েছে, তেমনই এই বইয়ের ভাষা অনুযায়ী এই বইতে 300 টি অক্ষর রয়েছে, এই বইটি প্রথম 14 সালে হাঙ্গেরিতে পাওয়া গিয়েছিল, হাঙ্গেরির আজাদ লাইব্রেরীটি কে দান করে দিয়েছিল হাঙ্গেরি অ্যাক্যাডেমি অফ সাইন্স কে যেখান থেকে এই বইটি কে আবিষ্কার করা হয়, কিন্তু কখনোই জানা যায়নি যে বইটি কোন ভাষায় লেখা হয়েছে, বাসার মানুষেরা কোথায় আছে বা কোথায় থাকতো আপনি চাইলে বইটিকে পাতা উল্টে দেখতে তো পারবেন, কিন্তু পড়তে পারবেন না

নাম্বার 6
সিক্স এই বইটিকে ব্ল্যাক ম্যাজিকের টেস্ট বুক বলে বহুকাল ধরেই এই বইটি কে নিয়ে অনেক ধোঁয়াশা ছিল, মনে করা হয় যে এই বইতে দেওয়া সমস্ত তথ্যই এক প্রসিদ্ধ রাজা লিখে গিয়েছিলেন, এই বইটিতে মূলত শয়তানদের বশে আনার প্রক্রিয়া লেখা হয়েছে তাই খুব সহজেই মানুষ, এই বইটির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনে, কিন্তু আপনি যদি এই বইটি পড়তে চান তাহলে সরি এই বইটি খুবই গোপনে ভাটিকান সিটির কোন এক গোপন কক্ষে রাখা হয়েছে আর আপনি হয়ত নিজেই জানেন যে কোনো বাইরের দেশের মানুষ ভাটিকান সিটির লাইব্রেরীতে ঢুকতে পারে না, মোটামুটি অনুমান করা যায় যে বইটি কে নিষিদ্ধ করার আগে এই বইটিকে পড়ে শয়তানকে বশে আনার অনেক চেষ্টা করা হয়েছে ,লোকমুখে প্রচারিত যে এই বইটি নাকি শয়তান নিজের রাজাকে দিয়ে লিখে দিয়েছেন কিন্তু এর প্রকৃত উৎসের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি |

নাম্বার 7[  চেয়ারম্যান এটি একটি 15 শতাব্দী 2900 সালে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করা হয় এবং সেই অনুপাতে বইটি পড়ে সবাই চমকে ওঠেন, লেখা অনুসারে তিনি এই বইটি লিখেছেন তিনি জানিয়েছেন তিনি গিয়েছিলেন এবং তখন সেখানে তারা একজন সাধু গিন্নির সাথে, আলাপ হয় সেই জাদুঘরটি তাকে অনেক পৃথিবীর বহির্ভূত জাদু শিখেছিলেন, যাছে এই বইটিতে লিখে যাচ্ছেন সে জাদু গুলির মধ্যে মৃত মানুষকে পুনর্জীবিত করা হাওড়া আত্মার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা ও নিজেকে শয়তানের হাতে তুলে দেওয়ার মতো জাদু ছিল, লেখক এর মতে সব মানুষদের মধ্যেই শয়তানের বাচ্চা কে শুধু তার সাথে সংযোগ স্থাপন করতে শিখতে হয় এবং তারপর পৃথিবীর সর্ব শক্তিমান হওয়া যায় এই বইটি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পরবর্তীকালে বিভিন্ন বই এবং বিভিন্ন মুভি বানানো হয়েছে, যেখানে শয়তানকে নিজের আত্মা বিক্রি করে সর্বশক্তিমান হতে দেখানো হয়েছে, বাস্তবে তেমন কিছুই সম্ভব নয়, তবে এই বইটির রহস্য মানুষকে আরো বেশি আকৃষ্ট করে |


নাম্বার 8

ইকোনমিক অন্ড এই বইটিতে মৃত মানুষকে কিভাবে আবার জীবন্ত করা যায়, তার সম্পূর্ণ ডিটেইলস লেখা আছে, এই বইটিকে দা বুক অফ বেদ বলা হয়ে থাকে, এই বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠায় অদ্ভুত ও ভয়ঙ্কর জিনিস দিয়েছে দেখা যায়, ফ্রাইডে দ্য থার্টিন্থ ইভিল ডেড সি ডি যে এই বইটির নাম উঠে এসেছে ,মিস্টার ইউনিভার্সিটি তে আজও এই বইটি রয়েছে কিন্তু ভোল্ট এর মধ্যে এই বইটিকে অনেকে দা মোস্ট ওয়ান্টেড অল টাইম বলে আখ্যা দেয় |

নাম্বার 9[  নাই এই বইটিকে ম্যাজিকের বলা হয়ে, থাকে বইটি বিভিন্ন ধরনের যাদুবিদ্যা দ্বারা ভর্তি যারা জাদু, জাদু তো বিশ্বাস করতেন না তারা অনেকেই এই বইটি পড়ার পর যাদু-টোনা কে নিজের জীবন

বানিয়ে নিয়েছে, এবং এই বইয়ের ভাষা অপরিচিত নয়, এটিকে অনেক আগেই ঠিক করা হয়ে গেছে এবং বলা হয় যে যারাই এই বইটিকে সম্পূর্ণ পড়ে তাদের ব্রেন ওয়াশ হয়ে যায়, ইভেন শক্তির দ্বারা মানে শয়তানের তারা তাই দয়া করে মেমোরি থেকে দূরে থাকবেন |

নাম্বার 10[  অল ফ্যাক্টরি এপি একবার সাধু লিখেছেন 16 সালে এই বইটিতে একটি যুবকের কাহিনী আছে যে কিনা 14 বছর বয়সে নিজের জন্মস্থান ছেড়ে চলে যায়, তার নিজের লাইফটাকে উন্নত করতে থাকে, তার এই জীবনের জার্নির মধ্যে কোথাও কোথাও রোমান্স আবার কোথাও যুক্ত আছে, এবং এই সবকিছুর শেষও হয়ে যায়, তারপর সে সন্ন্যাস নেয়, এবং পরবর্তীকালে সাধু হয়ে যায়, তখনি সে তার এই গল্প লেখে কিন্তু এই বইটি পাবলিশ করা হয়, 2018 সালের অর্থাৎ বইটি লেখার প্রায় 400 বছর পর, কিন্তু কেন এতদিন এই বইটিকে পাবলিশ করা হয়নি, আসলে এই বৈশিষ্ট্যটি অনেকটা সাধারণের মতো কিন্তু যতবারই এই বইটি পাবলিশ করার চেষ্টা করা হয়েছে, ততবারই পাবলিশার্স কোনো-না-কোনো অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেছে, সেই জন্য অভিশপ্ত বলে মনে করা হয়, কিন্তু ফর্টনাইটলি 2018 সালে যারা এই বইটিকে পাবলিশ করেছে তাদের কোনো ক্ষতি হয়নি |

এবার প্রশ্ন হল হট করে কেন আপনাদের এরকম রহস্যময় সম্বন্ধে বলা হলো, অ্যাকচুয়ালি আমি ঠিক করেছি এমন একটি, আর্টিকেল লিখব বাস্তবতা নিয়ে, যেখানে এক্সপ্লেইন করব কেন আমরা এই রহস্যময় গুলোকে রোল সময় মনে করি, এবং ভয় কেন পায় সেই কারণে ওটি অবশ্যই লাইক করতে হবে, এবং কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন ,যে আপনার কোন বইটি পেলে অবশ্যই পড়তে চাইবেন করতে চাইবেন যে বইগুলো এখন এভেলেবেল রয়েছে |

কোভিড -19 প্রতিরোধ,covid-19 prevention,

কোভিড -19 প্রতিরোধ,covid-19 prevention,

আসসালামু আলাইকুম পুরো পৃথিবী মানুষকে |

 করুনার বিষয়ে কিছু অজানা তথ্য জানতে চান আমার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে  পড়ুন পড়লে আমি বলতে পারবে 100 পার্সেন্ট আপনাকে করুণা থেকে হেদায়েত দান করবেন আপনি করোনা থেকে বাঁচতে পারবেন ইনশাআল্লাহ কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন|


আজকে আমাদের পৃথিবীতে যে সমস্যা দেখা দিচ্ছে আমাদের থেকে কি করা দরকার কে জানে কে বলতে পারে সত্যি কথা আজকে আমাদের পৃথিবীর মানুষ রা সবাই আতঙ্কে আছে একমাত্র কে পারে রক্ষা করতে পৃথিবীর এমন কোন মানুষ বলতে পারবেন আজকে মহামারী করোনা ভাইরাস থেকে এই দুনিয়ার এমন কোন বান্দা আছেন করুনার রোগীকে সুন্দর মত ভালোভাবে জীবনযাপন করার মন মানসিকতা ভালো সুস্থ রাখতে মনে একটু সাহস ও বল দিতে আমার জানাবো এই পৃথিবীতে এমন কোন মানুষ আজ পর্যন্ত তৈরি হয়নি যে মরা মানুষকে জীবিত করবে অসুস্থ মানুষকে ভালোমতো পুনরায় সুস্থ করবে  সবাই আমরা আছি থাকবো পাশে থাকবো বিপদে নয় কাছে থাকবো দুঃখে নয় সাথে থাকবো টাকা থাকলে সব সময় চলবে স্বার্থ থাকলে ওদের সাথে চলবো শান্তি মত থাকতে পারলে এটা আমাদের পুরো পৃথিবীর কথা |



আমার কথা কি জানেন আমাদের এই দুনিয়ায় মানুষ বলতেই স্বার্থ স্বার্থ ছাড়া এই দুনিয়াতে কেউ তুলার বস্তা মাথায় তুলনা স্বার্থ থাকলে লোহার বস্তা মাথায় নিয়ে সে দিনের পর দিন চলতে থাকে আজকে আমাদের জীবনটা ধ্বংসের পথে জানেন কেন একমাত্র আমাদের সঙ্গী স্বার্থ 2 অহংকার 3 আমাদের দেমাগ 4 আমাদের জ্ঞানের অভাব আমাদের মাঝে এই কয়টি জিনিস থাকলে আমরা সারাজীবনেও ভালোভাবে সুস্থভাবে চলা সম্ভব না আমাদের পথের কাঁটা আরো ধারালো হবে আমাদের জীবন থেকে এই কয়টি সাবজেক্ট বাদ দিতে হবে আমাদের জীবনটা অনেক সুন্দর হবে আমরা মানুষ কি ভালোবাসবো তার কষ্ট দেখে আমরা কানবো তার অভাব ও দুঃখ দেখে আমরা হাসব শান্তি দেখি যেমন একটি উদাহরণ আমাদের থেকে মানুষ এমন হওয়া লাগবে যেমন আমাদের অশ্রু কাঁদলে হাত মুছে দেয় আর হাত ব্যাথা পেলে অশ্রু কাঁদে আমাদের থেকে  হাত ও চোখের মতো হতে হবে যেমন চোখ কাঁদলে হাত মুছে দিবে হাত ব্যাথা পেলে চোখ কাঁদবে এমন মানুষ এই দুনিয়াতে পাওয়া অনেক কঠিন যেমন একটি কথা বলি |


আজকে আমাদের পৃথিবী মানুষ অনেক কষ্টে আছে একটাই কষ্ট এমন একটি রোগ পৃথিবীতে পড়েছে তা থেকে বাঁচতে মানুষ কত না কিছু করতেছি মানুষ বুঝতে পারতেছেনা আতঙ্কে পুরা পৃথিবীর মানুষ দিনের পর দিন হাহাকারে কষ্টে চোখের অশ্রু পড়তে পড়তে এ দুনিয়া থেকে কারো মা আর বাবা আদরের ছোট ভাই কারো আদরের মেয়ে পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছে সবার কষ্টের সীমা দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছে |


বাঁচার একটি কৌশল আছে এই দুনিয়াতে যে স্বার্থ বোঝে না তাদের কাছেই বাঁচার উপায় আছে |


এই দুনিয়াতে কেউ বলতে পারবে স্বার্থ ছাড়া আমাদের এই দুনিয়ায় এমন কোনো মানুষ আছে আমার জানামতে কেউ নেই আমি বলতে পারব যে ভাবনা আশে পাশে নদীতে আকাশে-বাতাসে যেখানে থাক স্বার্থ ছাড়া আমাদের দুই জন আছেন জানেন কেদারা বলতে পারবেন আমি জানি কেউ বলতে পারবেন না যারা বলতে পারবেন ওরাই বলতে পারবে একমাত্র মুসলমান তারাই বলতে পারবে স্বার্থ ছাড়া দুইজন আছে 1 আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন রহমান রহিম  আল জাব্বার একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমি স্বার্থপর না আরেকজন আমাদের পৃথিবী সর্বপ্রথম আমাদের মাথার মনি আমাদের সবার সম্মানীয় ব্যক্তি যাকে ছাড়া এই দুনিয়া এ পৃথিবী আল্লাহতালা সৃষ্টি করত না আমাদের মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের থেকে উচিত এই মহামারী রোগের মাঝে সব সময় আমাদের  স্মরণ করো |


এ পৃথিবীতে যারা মানুষ আছেন যে যে ধর্মেরই হোক বৌদ্ধ খ্রিষ্টান হিন্দু ও নানান ধরনের জাতি সবার থেকে এখন একটাই উপায় আমাদের সৃষ্টিকর্তাকে ঢাকা সব সময় আল্লাহর কাছে হাত তুলে দোয়া করুন হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে এই মহামারী করুণা থেকে আমাদেরকে বাঁচান হে আল্লাহ আমাদেরকে আপনি সুস্থভাবে রাখুন হে আল্লাহ আপনি আমাদেরকে হেদায়েত দান করুন হে আল্লাহ আমরা তো তোমার সৃষ্টিকুলের একজন মানুষ কেন এত আমাদেরকে কষ্ট দিচ্ছেন আমাদেরকে এই মহামারী থেকে ভালো করে তুলুন এর উপর আলামিন দুনিয়াতে যা ভুল করেছে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন আমি বলতে পারব ইনশাআল্লাহ আল্লাহ দোয়ার ভান্ডার দয়ার সাগর পুরো পৃথিবীতে সবথেকে বেশি দয়াবান এর উপর আলামিন আমাদের মাঝে আছে |


সবার কাছে আমাদের সৃষ্টিকর্তা আছে এই পৃথিবী  বঙ্গবদ সাগরের কত হাজার ফুট নিচে ছোট একটি প্রাণী টাকা দে আল্লাহ তারও ডাক শুনতে পারেন একমাত্র আমরা আল্লাহর কাছে পানা চাই সব সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করুন আল্লাহকে ভয় করুন আল্লাহকে ভয় করতে শিখুন এই পৃথিবীটা সৃষ্টি করেছে উনি পারেন এ পৃথিবীটা ধ্বংস করতে আমাদের থেকে এ সম্পর্কে জানতে হবে এই পৃথিবীর কেউ না কেউ একটি মালিক আসছে মালিক কে আজকে আমরা বুঝিনা আমরাতো প্রকৃতভাবে বুঝতাম মালিক  না হলে আজকে আমরা মানুষের দ্বারে দ্বারে  আমাদের থেকে হাত পেতে খোজা লাগবেনা আমরা খুঁজতাম একজনার কাছেই কে সে একমাত্র সৃষ্টিকর্তা গুলো আলামিন একমাত্র আমার আল্লাপাক আমরাতো তার কাছে খুজতাম|


একবার না 1000 বার আমাদেরকে দিদিতো আমাদের লোক ভালো হতো আজকে আমরা আল্লাহর কাছে চাইনা খুঁজি না  তাই আমরা আজকে এই মহামারী থেকে বাঁচতে পারি না একটা উদাহরণ দিই যেমন আমার কথাই বলি আমি আমাকে যে জন্ম দিয়েছেন আমার মা আমি যখন কাদি মামাকে হাত বুলিয়ে দেয় চোখের জল মুছিয়ে দেয় নিজের শাড়ির আঁচল দিয়ে কান্না চোখের অশ্রু মুছে দেয় আমিতো কষ্টকরই সবথেকে বেশি কাঁদে আমার মা কেন জানেন আমার মা অনেক দয়াবান ব্যক্তি আমার কষ্ট হলে আমারও কষ্ট হয় দুঃখ থাকলে আমারও দুঃখ হয়  আমিতো সুখে থাকি আমার মা-ও সুখ পায় একমাত্র পৃথিবীতে দয়াবান ব্যক্তি হলে আছে কি জানেন আমার মা তার থেকেও সবথেকে পৃথিবীতে বড় দয়াবান ব্যক্তি কে জানেন আমাদের সৃষ্টিকর্তা জেমা একবার কান্দে শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছে দেয় দুঃখ পেলে দুঃখ পায় রাস্তা আমরা এত কষ্টে আছি আল্লাহ পাকের কাছে আমরা তো ভালো মতন মন দিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা চাই আমরা তো আল্লাহর কাছে আমাদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা স্বীকার করে আমরা তো আল্লাহর কাছে আজকে রোগ থেকে দোয়া চাই আল্লাহ কি আমাদের দোয়া কবুল করবেন না একটা মায়ের দিকে এক পারসেন্ট মায়া ও দয়া থাকলে আমাদের আল্লাহ পাকের কাছে 1000 মিলিয়ন দোয়ার ভান্ডার আছে তিনি কি আমাদেরকে মাফ করবেন না করবেন যেরকম আমি কাঁদলে সেও কাঁদে আমি আসলে মা হাসে তেমনি পৃথিবীতে দয়াবান ব্যক্তি একজন সৃষ্টিকর্তা সবাই আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া চান এবং ক্ষমা চান আল্লাহ আমাদের পৃথিবীটাকে করুণা মুক্ত করবেন ইনশাআল্লাহ


 আমি এখানে এসব কথা বলেছি পুরো পৃথিবীর মানুষকে নিয়ে আমি একটি ছোট ছেলে আমার  কথাগুলো যদি ভুল হয়ে থাকে আমাকে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন আমি পুরা পৃথিবী মানুষকে ভালোবাসি এখন  এখন আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম আমার তো কোন ভুল হয়ে থাকে আমাকে ক্ষমা করে দিবে না বলে পারলাম না পৃথিবীর মানুষ অনেক বিপদে আছে 


আমাদের থেকে সব সময় এই দোয়াটি পড়া উচিত যে দোয়াটি পড়লে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষের বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করেন দোয়াটি হলো


লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন


 এই দোয়াটি সবসময় পাঠ করবেন দৈনিক 1000 বার এ দোয়াটি পাঠ করেন ইনশাল্লাহ আল্লাহ আপনাকে সুস্থ রাখবে করুণা থেকে মুক্ত রাখুন মুক্তি পাবেন ইনশাল্লাহ ইনশাল্লাহ ইনশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন 


লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ

Mohammed bin Salman,মোহাম্মদ বিন সালমান,

Mohammed bin Salman,মোহাম্মদ বিন সালমান,

  কিন্তু আমেরিকার ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথ অনে তাহলে কে আছে প্রথম স্থানে তা জানতে হলে

মোহাম্মদ বিন সালমান

1 নম্বর অবস্থানে রয়েছে মোহাম্মদ বিন সালমান যাইহোক মোহাম্মদ বিন সালমান হচ্ছে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স এবং বর্তমানে সৌদি আরব শাসন করছে সুন্দর ব্যক্তিটি আর মজার ব্যাপার হচ্ছে মোহাম্মদ বিন সালমান কিন্তু পৃথিবীর সবথেকে ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে যেমন বিলগেস্ট এর সম্পত্তি হচ্ছে বিলিয়ন আর সৌদি আরবের সালমান খানের এক একজনের সম্পত্তি ট্রিলিয়ন তাহলে বুঝতে পারছেন পৃথিবীর আন্ডারগ্রাউন্ড যাইহোক এমন সালমানের সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার জেতার দেহরক্ষী রয়েছে শুধুমাত্র 1010 এমনকি মোহাম্মদ বিন সালমান একটি নিজস্ব সাইবার সিকিউরিটি ফোর্স রয়েছে আর এই রকম সাইবার সিকিউরিটি ফোর্স শুধুমাত্র একটি দেশের সরকারের কাছে থাকে আর গত দুই বছরে মোহাম্মদ বিন সালমানের সৃষ্টির পেছনে প্রায় 2 বিলিয়ন ডলার 1 লক্ষ 70 হাজার কোটি টাকা খরচ করা|


কুইন এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের রানী



2 নম্বর অবস্থানে রয়েছে কুইন এলিজাবেথ 20 করে মহিলাটি হচ্ছে ইংল্যান্ডের রানী আসলে ইংল্যান্ডে এখনো রাজতন্ত্র চলছে আর যেহেতু বৃটেনের রানী যেহেতু তার অনেক দুশমন থাকা স্বাভাবিক আর তার সুরক্ষা ব্যবস্থা এতটাই জোরদার যে কুইন এলিজাবেথ যদি কোথাও যায় তাহলে প্রথম থেকে একটি টিম সে জায়গায় গিয়ে অপেক্ষা করে এবং রাণী সেখানে না পৌঁছা পর্যন্ত সবকিছু কন্ট্রোল করে রাখে এছাড়াও কুইন এলিজাবেথ এর বিশাল বড় সিকিউরিটি ফোর্স রয়েছে যাদের কাজ শুধুমাত্র রানীকে নিরাপত্তা দেওয়া এছাড়া রানী যেখানেই যান তার গাড়ির সামনে বিভিন্ন প্রটোকল করে রাণীকে নিরাপত্তা দেয় যেমন রানীর গাড়ির সবার সামনে থাকে মোটরসাইকেল টিম এবং এদের কাজ হচ্ছে রাস্তা ফাঁকা করে দেওয়া এমনকি,প্রিন্স জর্জ কে স্কুলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি পুরুষের কুড়িটি ফোর্স নিরাপত্তা দিয়ে পৌঁছে দেয় কুইন এলিজাবেথ এর এত সুরক্ষার কারণ হচ্ছে এর আগেও রানীকে একবার আক্রমণ করা হয়েছিল 


3 নম্বর অবস্থানে যাই হোক এর ফর্সা করে লোকটি পৃথিবীর ক্যাথলিকদের চার্জার হেড বলা হয় এছাড়া ইনি হচ্ছেন ভ্যাটিকান সিটির হের আর মজার ব্যাপার হচ্ছে পোপের সিকিউরিটি কোড দেখে আপনার মনে হবে যে আপনি উনিশশো সত্তর দশকের কোন রাজা বাদশাদের সিকিউরিটিতে দেখেন তবে তাদের পোশাকের দিকে না যে তাদের দক্ষতার দিকে যেতে হবে কারণ এরা একজন হিটলারের সেনাবাহিনীর মত আর যেহেতু এই পোস্টে একজন ক্যাথলিক ফাদার তাই সে যেখানেই যায় সেখানেই লোকজন তাকে ছুঁতে চায় এবং ছোট বাচ্চাদের তার কাছ থেকে ব্লেসিংস নেওয়ায় ওকে একটু বেশি স্বীকৃতি দেওয়ার কারণ 981 সালের দিকে তাকে একবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল এছাড়া পক্ষে এত বেশি সুরক্ষা দেয়া হয় যে সাধারণ মানুষেরা তার ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারে না আর মজার ব্যাপার হচ্ছে কোন বাচ্চাকে যদি তার কাছ থেকে আশীর্বাদ নিতে হয় তাহলে প্রথমে তার সিকিউরিটি বাদশা কে চেক করে নেয়

কিম জং উন

4 নম্বর অবস্থানে

এখানে রয়েছে কিম জং উন একে আপনি আজরাইলের ছোট ভাই বলতে পারেন এছাড়া ইনি হচ্ছেন নর্থ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মানে সব মন্ত্রী আরে ভাই নর্থ কোরিয়া তে কেউ যদি বাথরুমে যেতে চায় তাহলে কিং জং উন এর পারমিশন নিতে হয় আর উত্তর কোরিয়ার পাবলিকে মানুষটির উপর এতটাই রেগে আছে যে একে একা পেলে পুরো ছিঁড়ে খাবে তো একারনে কিম জং উনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এমনকি কিং জং উন তার নিজের চাচাকে একটি জঘন্য ফাঁসিতে ঝুলে দিয়েছেন এছাড়া কিং জং উন এর ওপর নিজের আপন ভাইকে হত্যা করার মামলাও রয়েছে আসলে 2017 সালের সাউথ কোরিয়া এবং আমেরিকার সিআইএ এজেন্ট সিমে তিনজনকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল যার কারণে তার পর থেকেই তার সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও কঠোর করে দেওয়া হয় এমনকি কিম জং উনের সুরক্ষার জন্য প্রায় 90 হাজার শ্রমিক রয়েছে এছাড়া কিম জং উনের সুরক্ষা ব্যবস্থা এতটাই কঠিন যে কিং জং কোন দেশে গেলে তার সাথে তার পার্সোনাল বাথরুম নিয়ে যান যাতে করে তার বাথরুমের মাধ্যমে কেউ তার ডিএনএ না নিতে পারে এছাড়াও কিং জং উনের দেহরক্ষীরা 1110 মাসআলাটি আর এদের কাজ হচ্ছে কিং জং উনের গাড়ি যেখানে যাবে তার গাড়ির সাথে সাথে দৌড়ে যাওয়া আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে এইসব দেহরক্ষীদের ঘার কিং জং উন এর থেকে বড় হবে না মানে এরা সবাই এক হাইটের হয়ে থাকে কিং জং উন যখন বিমানে সফর করেন তখন তার বিমানের সাথে আরও দুইটি বিমান চলতে থাকে এমনকি বিমানের পাইলট জানেন না যে কিং জং উন কোন বিমান ভ্রমণ করেছেন এরপর



মোহাম্মদ বিন সালমান,কিম জং উন,কুইন এলিজাবেথ,ইংল্যান্ডের রানী,


ভারতীয় সেনাবাহিনীতে,

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে,

  ভারতীয় সেনাবাহিনীতে

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ভারতের এই আট কমান্ডো বাহিনী যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মুখোপাধ্যায় এর অক্ষর পারদর্শী মাত্র কয়েক সেকেন্ডের শত্রু সামনে সামনে উদয় হয়েছে এরা এতটাই ভয় অনুচ্ছেদের বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর কমান্ডো বাহিনী হিসেবে ধরা হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ডো এমনকি যারা শয়তানের লড়াই করতে সক্ষম  1987 সালের বাহিনীকে তৈরি করা হয় এবং স্থানীয় চমকে দিয়েছে এদের মধ্যে 80% বাহিনীর প্রশিক্ষণ ছেড়ে পালিয়ে চলে |

যায় সদস্য হওয়ার জন্য যে শারীরিক পরীক্ষা দিতে হয় তাকে ভয়ঙ্কর বললেও কম বলা হবে, মানুষের হাতে গোনা সেনারা আকাশ থেকে ঝাঁপিয়ে এসব কমান্ডো মেসির হাতে আকাশ থেকে ঝাঁপ দিয়ে লড়াইয়ে সক্ষম মার্কোস কামান্ডো হাতে থাকে ইসরাইলে তৈরি তার 21st রাইফেল যেহেতু জলে থেকে লড়াই করে মানুষ তাদের সমস্ত অস্ত্র ওয়াটারপ্রুফ জলের তলায় ঘন্টার পর ঘন্টা থাকলেও অস্ত্র কোন প্রকার কিছু হয়না না হয় |


কোবরা

কোবরা হয় মরো ,না হয় মরো, এটাই কোবরা কমান্ডো বাহিনীর আপ্তবাক্য জঙ্গলের মধ্যে যেকোনো ধরনের গেরিলা যুদ্ধে বাহিনী 2008 সালের নির্বাচনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল মুহূর্তের মধ্যে যোগসূত্র চোখে ধুলো দিতে পারে, তারা এমন পোশাক এবং মুখের রং মেখে অভিযানের নামে, শর্ট করে তাদের দেখে ফেলা কঠিন, প্যারাসুট নিয়ে লাফ দিয়ে উঠল পাড়া কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর অধীনে আসে এই ক্ষুদ্র কমান্ডো বাহিনী অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় ইন্সাস রাইফেল থেকে এ কে ফরটিসেভেন এর মধ্যে বাহিনীতে কমান্ডের সাহায্যে যেকোনো স্থান থেকে শুরু করে এদের কাছে জবাব দেয়ার ভেরি ডেঞ্জারাস|

,

প্যারা-কমান্ডো 

প্যারা-কমান্ডো হাজার 1966 সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে এই কমিউনিটি তৈরি করা হয়েছিল এদের কাছ, ঝাঁপ ধরে শত্রুপক্ষের উপর হামলা করে পদাতিক বাহিনীর অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সাজানোর জিনিসপত্র অন্তত 20 কিলোমিটার দৌড়াতে হয় কমান্ডো বাহিনীর সদস্যদের 37 হাজার ফুট উপর থেকে ঝাপ দিতে সক্ষম, আকাশপথে এলাকায় অনুপ্রবেশ থেকে শুরু করে সমুদ্রপথে বাহিনী প্যারা-কমান্ডো ভারতীয় সেনাবাহিনীর একমাত্র ইউনিট যাদের শরীরে ট্যাটু আকার অনুমতি দিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ,কোরআনে উল্লেখিত গ্রামের কমান্ডো বাহিনীর নামে ভারতীয় বায়ুসেনার অধীনে কমান্ডো বাহিনীর আক্রমণের মন্ত্র আদর্শে অনুপ্রাণিত কমান্ডো বাহিনী 2004 সালে কমান্ডো বাহিনী তৈরি করা হয়েছিল ,এদের প্রশিক্ষণ এতটাই কঠিন পুরুষ অন্তত তিন বছর সময় লাগে, কিন্তু শুরু করেন এমনকি বরফের মধ্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ,সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর ইন্সারজেন্সি এবং স্কুলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ,চলতি বছরের জানুয়ারিতে পাঠানকোট বায়ু

সেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি নামানো হয়েছিল কমান্ডোদের ঘাতক পদাতিক বাহিনীর কমান্ডো বাহিনীর হামলা করা এবং সহিংসতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এ অভিযান চালাতে পারে সেভাবে প্রশিক্ষিত করা হয় এদের দুর্গম পাহাড়ের গা বেয়ে উঠে যেতে পারে ,ঘাতক কমান্ডো বাহিনী উঠে যেতে পারে ঘাতক কমান্ডো বাহিনীর 1999 সালের কারগিল যুদ্ধে এই কমান্ডো বাহিনী কে নামানো হয়েছিল 1986 সালে কমান্ডো বাহিনী তৈরি হয় এই কমান্ডো বাহিনীর ন্যাশনাল সিকিউরিটি ফোর্স এনএসজি কমান্ডো বাহিনী যার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা বিমান ছিনতাই ভিআইপিদের নিরাপত্তা দেওয়া যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাত থেকে নিজেদের কব্জায় আনতে সক্ষম,


ব্ল্যাকহেডসের কমান্ডোরা গত দুই দশকের বেশি সময় অপারেশন অপারেশন অভিযানে অংশ নিয়েছে ব্ল্যাকহেডস গ্রুপে পড়েছে এদিকে পুলিশ বাহিনী প্যারামিলিটারি নেশনাল এনেরজি রয়েছে একটি হচ্ছে স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ এবং অন্যটি স্পেশাল গ্রুপ বাজি করার জন্য নয় মাস ধরে প্রশিক্ষণ এর প্রশিক্ষণের চাপ সামলাতে না পেরে অন্তত 50 থেকে 70 শতাংশ জমি ছাড়তে বাধ্য হন,স্পেশাল ফোর্স এর যুদ্ধের সময়ে এই কমান্ডো বাহিনীর গঠন হয়েছিল এরা এমন এক|


প্রশিক্ষিত কমান্ডো

স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স মুভি চায়না যুদ্ধের সময়ে এই কমান্ডো বাহিনী গঠন হয়েছিল এরা এমন এক প্রশিক্ষিত কমান্ডো বাহিনী যারা শত্রু তারা ঘরে এলাকাছাড়া করে মূলত যুদ্ধের জন্য তাদেরকে প্রধানভাবে প্রশিক্ষিত করা হয় যে কোন ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতিতে গরিলা যুদ্ধ ভয়ঙ্কর রকমের এয়ারপোর্ট পাহাড়ের উপরে লড়াই থেকে শুরু করে, বেড়াচ্ছে শত্রু খতম করতে বড় ধরনের ওস্তাদ স্পেশাল ফোর্স ,প্রশিক্ষণার্থীদের কমান্ডো বাহিনীর একটি ইউনিটকে সিয়াচেন হিমবাহ কাজে মোতায়েন করা হয় |


2611 হামলার পর এই কমান্ডো বাহিনী কে তৈরি করেছে, মহারাষ্ট্র সরকার এদের মূল কাজ করছে মুম্বাইতে রক্ষা করার জন্য করে ,বুকে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস প্রতিরোধে এই বাহিনীকে তৈরি করা হয়েছে ফুসলানোর কমান্ডোদের এমনভাবে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে যে মাত্র 15 মিনিটের উপরে হামলা চালাতে সক্ষম হন ,কমান্ডো বাহিনীতে যোগদানের জন্য 3000 আবেদনপত্র জমা পড়েছিল কিন্তু তার মধ্যে মাত্র 20 জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে রবিবার একবার চিন্তা করে দেখুন কতটা শক্তিশালী ভারতের সামরিক বাহিনী তবে এসব কমান্ডো বাহিনীর মধ্যে আপনার কোন বাহিনীতে সবচাইতে বেশি ভয়ংকর মনে হয়েছে কমেন্ট করে জানাতে |



,

ইন্ডিয়া ভয়ঙ্কর বাহিনী,প্রশিক্ষিত কমান্ডো,প্যারা-কমান্ডো,কোবরা,প্যারা-কমান্ডো 1, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে,news India,